1. smmarufbillah@yahoo.com : admin : Maruf Billah
  2. publisher5029@yahoo.com : publisher50 :
  3. hr.knackflair@gmail.com : Sazzad Sabbir : Sazzad Sabbir
  4. shamim.unisa@gmail.com : Shamim Hossain : Shamim Hossain
  5. uz4bd5amq3@outlook.com : wprveahl :
সদ্য পাওয়াঃ
ইটাবের নতুন কার্যকরী পরিষদ নির্বাচিত খালেদা জিয়া হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, শ্বাসকষ্টে বাড়তি সতর্কতা ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডার নিহত কুমিল্লা-৬: বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৎপরতায় তৃণমূল ক্ষুব্ধ রামপুরা হত্যাকাণ্ড: দুই সেনা কর্মকর্তা আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির “মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনা কি সত্যিই বিচারকে মুখোমুখি হবেন?” আল-জাজিরার রিপোর্ট মিয়ানমারের মাদক বাংলাদেশকে নীরবে ধ্বংস করছে: এক জাতীয় সতর্কবার্তা ধর্মীয় ইস্যুর উদ্দেশ্যমূলক ব্যাখ্যা সমাজে অস্থিরতার কারণ: তারেক রহমান সুপার ওভারে ভেঙে গেল বাংলাদেশের স্বপ্ন অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ বাছাই – ব্রুনাইকে ৮–০ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল

খেলনা শিল্পে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা জরুরি

  • পোস্টিং সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩২ Time View

দেশের খেলনা শিল্পে ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড’ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, রপ্তানিতে সম্ভাবনাময় এই খাত এখনও অনেকাংশে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। তাই শিল্পটিকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে বহুমুখীকরণ, উদ্ভাবন এবং আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ অপরিহার্য।

 

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘রফতানি বহুমুখীকরণ: খেলনা উৎপাদন শিল্পে উদ্ভাবন ও রফতানির সম্ভাবনা’ শীর্ষক ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় বক্তারা বলেন, খেলনা শিল্পকে পৃষ্ঠপোষকতা করলে এটি দেশের রফতানি বৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

বর্তমানে বাংলাদেশের খেলনা শিল্পে প্রায় ১৪৭টি কারখানা কাজ করছে, যেখানে ২০,০০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত, এই শ্রমিকদের প্রায় ৮০% নারী। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি প্রায় ৭৭ মিলিয়নে পৌঁছেছে, যা ৮৮টি দেশে রপ্তানি করা হয়। খেলনা বাজারে স্থানীয় বিনিয়োগ ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে এবং এটি ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ব বাজারের দিকে ইঙ্গিত করে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক খেলনা বাজার ছিল প্রায় ১০২ বিলিয়ন, অনুমান করা হচ্ছে ২০৩২ সালের মধ্যে এটি প্রায় ১৫০ বিলিয়ন পর্যন্ত পৌছাবে। এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য  তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে তারা বলেন, এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য স্থানীয় পরীক্ষাগার তৈরি, ডিজাইন ট্রেনিং, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, উন্নত নীতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে সহজ প্রবেশের পথ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন
Copyrights© 2025 BDSkyNews. All rights reserved.
Site Customized By NewsTech.Com